চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতায় অনন্য উচ্চতার একজন রাষ্ট্রনায়ক। তার জীবনাদর্শ ও গুণাবলির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে এবং তার অবদানকে তরুণদের সামনে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে হবে।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আল নোমান বলেন, জিয়াউর রহমান সর্বোচ্চ সততা, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ নিয়ে দেশের জন্য কাজ করেছেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি কখনও নিজের পদমর্যাদাকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাননি। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও সততার ফলেই স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মের কাছে জিয়াউর রহমানের গুণাবলি তুলে ধরতে হবে। তার জীবনী ও রাষ্ট্রচিন্তাকে সচিত্রভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। তার আদর্শের সঙ্গে মানুষের, বিশেষ করে তরুণদের, একটি মানসিক সংযোগ তৈরি করতে হবে।”
সাঈদ আল নোমান বলেন, দেশে যখন একদলীয় চিন্তার প্রবণতা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছিল, তখন জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। তাই তাকে বারবার আলোচনায়, চিন্তায় ও রাজনৈতিক চর্চায় ফিরিয়ে আনতে হবে। তার বৈশিষ্ট্য ও রাষ্ট্রদর্শনের সঙ্গে কর্মী, নেতা এবং তরুণ সমাজকে পরিচিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “১৯৭১ সালে অনেক সিনিয়র জেনারেল থাকলেও মেজর হয়েও জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তিনি কখনও নিজের অবস্থানকে বড় করে দেখেননি। স্বাধীনতার পর ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে কীভাবে পুনর্গঠন করতে হবে, সে বিষয়ে তার সুস্পষ্ট দূরদর্শিতা ছিল। তার নেতৃত্ব দেশের জন্য বহু অর্জন এনে দিয়েছে।”
সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষা ও রাজনৈতিক চর্চায় জিয়াউর রহমানকে সামনে রাখতে হবে। তার জীবনদর্শন অনুসরণ করা গেলে ত্যাগ ও মানুষের কল্যাণভিত্তিক রাজনীতিকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এ এম নাজিম উদ্দিন ও সঞ্চালনা করেন আহমেদ উল আলম রাসেল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. সিদ্দিক আহমেদ, জাহিদুল করিম কচি, এম এ সবুর, সৈয়দ আজম উদ্দিন, শাহ আলম, এস কে খোদা তোতনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এমএইচএফ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।