দক্ষিণ পূর্ব

দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর চালাতে দেওয়া হবে না: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

RAFIQ HYDER
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৫
পঠিত :
দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর চালাতে দেওয়া হবে না: নৌপরিবহন উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের ক্ষতি করে কাউকে বন্দরের কোনো টার্মিনাল দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, আমি এখানে আছি। মরবো এখানে। আমি কোথায় পালাবো?

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে নগরের পতেঙ্গায় লায়লদিয়ার চর কন্টেইনার ইয়ার্ড উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

 এ সময় বন্দর চেয়ারম্যানসহ বন্দর ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

উপদেষ্টা বলেন, বন্দর নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলবে। উন্নতি করতে হলে প্রযুক্তি, টাকা-পয়সা দরকার আছে। বন্দর ঘিরে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। উন্নত দেশের বেশিরভাগ বন্দর অপারেটররা চালাচ্ছে। আমরা কেন পিছিয়ে যাব। তাই আমরাও চেষ্টা করছি। যারা বিজনেস করে তাদের জন্য লালদিয়ার চর টার্মিনাল বড় সুযোগ। ১০ হাজার কনটেইনার রাখার ক্যাপাসিটি বাড়বে। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪ একর জমিতে লালদিয়ার চর টার্মিনাল হয়েছে। ১৫০০ ট্রাক রাখার ক্যাপাসিটি আছে। হেভি লিফট কার্গো জেটি ব্যাকআপ থাকবে ৮ একর। এপিএম টার্মিনাল এরিয়া ১০ একর।

উপদেষ্টা বে টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন টার্মিনাল, তালতলা কনটেইনার ইয়ার্ড (ইস্ট কলোনি সংলগ্ন) উদ্বোধন এবং এক্সওয়াই শেড ও কাস্টমস অকশন শেড পরিদর্শন করেন।

বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফ ও পোর্ট চার্জেস সংক্রান্ত সভায় উপদেষ্টার অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ব্যবসায়ীরাই ব্যবসা করবে। ১৯৮৪ সালে ট্যারিফ হয়েছিল। ব্যবসায়ীরা আয় করছেন ১ হাজার টাকা, বন্দরকে ৫০০ টাকা দেন। আমরা জনবল দিয়ে বন্দর চালাচ্ছি। ট্যারিফের বিষয়ে কোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন।

রহা

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।