এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর বাজারের একটি গোডাউন থেকে ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে ছিনতাই হওয়া ৩০০ বস্তার মধ্যে ২৮৪ বস্তা উদ্ধার হয়েছে।
এ ঘটনায় করা মামলায় কাভার্ডভ্যানের চালক মো. আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার সকালে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার চিনির মালিক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে পটিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় চালক আলমগীর ও আজিজনগর বাজারের মুদি দোকানি রাহাত উদ্দিন জুয়েলকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের ধারণা, কাভার্ডভ্যানের চালক মো. আলমগীর পরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে সহযোগীদের মাধ্যমে ১৫ টন বা ৩০০ বস্তা চিনি বিক্রি করে আত্মসাৎ করে থাকতে পারেন। পরে আজিজনগর বাজারের ব্যবসায়ী রাজিব স্টোরের মালিক রাহাত উদ্দিন জুয়েল বাজারদরের চেয়ে কম দামে এসব চিনি কিনে স্থানীয় মুদি দোকানগুলোতে বিক্রি করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়েলের গোডাউন থেকে ১৩৪ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।
এর আগে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের শিকলবাহা ক্রসিংসংলগ্ন চট্টগ্রাম-আনোয়ারা সড়কে নবনির্মিত কর্ণফুলী উপজেলা ভবনের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় কাভার্ডভ্যানটি পাওয়া যায়।
পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোররাতে হারবাং ইউনিয়নের নোনাছড়ি এলাকার একটি বন্ধ দোকান থেকে ১৫০ বস্তা চিনি উদ্ধার করা হয়েছে। দোকানটির মালিক রাসেল। মামলার এজাহারে চালক আলমগীরের বিরুদ্ধে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে চিনি আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।