ফটিকছড়িতে জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে উপজেলা আমীর নাজিম উদ্দীন ইমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম অঞ্চলের টিম সদস্য জাফর সাদেক।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার বোরহান উদ্দিন, জেলা সহকারী অফিস ও প্রচার সেক্রেটারি এজাহারুল ইসলাম, জেলা সহকারী তারবিয়াত সেক্রেটারি মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ এবং ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ইসমাইল গনীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর সাদেক বলেন, রুকনদের কোরআন অধ্যয়নের পরিমাণ ও গভীরতা বাড়াতে হবে। কোরআন-হাদিসের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত আমল, নৈতিকতা ও চারিত্রিক গুণাবলির উন্নয়নে সচেষ্ট হতে হবে। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে এবং বিশেষ করে রাতের শেষ প্রহরে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর দরবারে সাহায্য চাইতে হবে।
তিনি বলেন, একটি আদর্শিক সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। এ প্রক্রিয়াকে অর্থবহ করতে দায়িত্বশীলদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, পরামর্শভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রুকনদের নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও দায়িত্বশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ব্যক্তিগত অধ্যয়ন, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সাংগঠনিক জ্ঞান এবং সমসাময়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। একই সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ইসলামের সুমহান আদর্শ ও দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।
জাফর সাদেক বলেন, রুকনদের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক পরিবেশ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইসলামের আদর্শের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ, দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে হবে। সংগঠনের প্রত্যেক সদস্যকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দ্বীনের দাওয়াত সম্প্রসারণ ও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে হবে।
সম্মেলনে রুকনদের সাংগঠনিক মানোন্নয়ন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনকে ইসলামের আলোকে গড়ে তোলা, নিয়মিত কোরআন অধ্যয়ন, ইবাদতে মনোযোগী হওয়া এবং দাওয়াতি কার্যক্রম সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
এসআই
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।