নিজস্ব প্রতিবেদক;
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেছেন,উন্নয়নের দিক থেকে ফটিকছড়ি এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন মৌলিক সেবার ঘাটতির কারণে ফটিকছড়ির সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ফটিকছড়ির অন্যতম বড় সমস্যা হলো এখানে পর্যাপ্ত কোনো ফায়ার স্টেশন না থাকা। পুরো উপজেলায় একটি মাত্র ফয়ার স্টেশন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আয়তনের দিক থেকে ফটিকছড়ি প্রায় ফেনী জেলার সমান হলেও সেই অনুপাতে এখানকার মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছে না। ফলে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় সময়মতো উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয় না। তিনি ফটিকছড়ির দক্ষিণ এবং উত্তরে দ্রুত দু’টি ফায়ার স্টেশন স্থাপনের জন্য বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবান ও সমাজের সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ ফটিকছড়ির আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বড়ুয়াপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ নিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। গত (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ুয়াপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয়টি পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ খবর পেয়ে তিনি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার, চট্টগ্রাম মহানগরী শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি এবং ফটিকছড়ি উপজেলা শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি আবদুর রহিম, আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক ওসমান গনি, আব্দুল্লাহপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহিউদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আর এইচ/
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।