ডেস্ক রিপোর্ট
মধ্যবিত্তদের
মাঝে জনপ্রিয় একটি নাম জহুর হকার্স
মার্কেট। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটার জন্য
এটি চট্টগ্রামের মানুষের জন্য ভরসার নাম। ছেলেদের পোশাকের জন্য
বেশ সুপরিচিত হলেও এখন বেশ কয়েকটি দোকানে পাওয়া যাচ্ছে মেয়ে ও শিশুদের পোশাক।
ঈদের
শপিং বাজেট যাই হোক, কম দামে ছেলেদের
হাল ফ্যাশনের পোশাক পেতে এর জুড়ি মেলা
ভার। তাই ঈদ কেনাকাটায় একবার
হলেও তরুণরা ঢুঁ মারেন এ মার্কেটে।
বিশেষ
করে ডেনিম প্যান্ট ও বাহারি রেডিমেট
শার্টের বিশাল সমাহার রয়েছে দোকানগুলোতে। নগরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থানের কারণে এ মার্কেট সারা
বছরই ক্রেতার ভিড়। ঈদ আসলেই জমে
মধ্যরাত পর্যন্ত চলে বিকিকিনি।
জহুর
হকার্সের আটটি মার্কেটে পাঁচ শতাধিক ছোট-বড় দোকান রয়েছে।
এসব দোকানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পোশাক পাওয়া যায়। কিছু দোকানে পাওয়া যায় দেশীয় গার্মেন্টসে তৈরি রপ্তানিযোগ্য পোশাক। ১২০০ থেকে ২ হাজার টাকার
মধ্যে পাওয়া যায় এসব পোশাক। তবে যাদের বাজেট কম তারাও হতাশ
হবেন না এ মার্কেটে
এসে।
নিম্ন-মধ্যবিত্তদের ভরসা মার্কেটের সামনে খোলা ফুটপাতে দোকানগুলো। অতি অল্প দামে বাছাই করে এখান থেকে কেনা যাবে পোশাল। ১০০-৩০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে বিভিন্ন বয়সীদের পোশাক। মার্কেটের সামনে সড়কে ফুটপাতে জুতাও পাওয়া যায়। বিকেলের পর থেকে মূলত
ফুটপাতে জমে উঠে কেনাকাটা।
গত
শনিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মার্কেটে ক্রেতাদের আধিক্য থাকলেও আশানুরূপ বিক্রি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন
অনেক দোকানি।
দোকান মালিক
হামিদ
বলেন, ২০ রমজানের পর
জমে উঠবে মার্কেটের কেনাকাটা। বিশেষ করে ঈদের দুই-তিনদিন আগে এখানে উপচে পড়া ভিড় থাকে। তখন শিফট করে দোকান চালাতে হয়। ঈদকে ঘিরে দোকানে অনেক বিনিয়োগ করেছি। আশা করছি সব পোশাক বিক্রি
হয়ে যাবে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে আগের মতো কেনাকাটা করতে পারছে না মানুষ।
এ মার্কেটে পুরুষের সমাগম বেশি থাকলেও পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে আসেন অনেক নারী। এখানে মূলত পুরুষদের পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট বিক্রি বেশি হয়ে থাকে।
শপিং করতে
আসা শহিদুল ইসলাম
নামে এক ক্রেতা বলেন,
এখানে ভালো মানের এক্সপোর্ট কোয়ালিটির শার্ট ও প্যান্ট বিক্রি
হয়। একটু দরদাম করে নিলে অন্য শপিংমল থেকে অনেক কম দামে এসব
পোশাক পাওয়া যায়।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।