দক্ষিণ পূর্ব

চট্টগ্রাম বন্দরে লুটপাট করতে বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে: এ এম নাজিম উদ্দীন

mainulislam
প্রকাশ : ৯ মে ২০২৫
পঠিত : ১২
চট্টগ্রাম বন্দরে লুটপাট করতে বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে: এ এম নাজিম উদ্দীন
নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে নিজস্ব অথার্য়নে আন্তর্জাতিক মানের একটি টানির্মাল নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ এটা নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এটি নিয়ে কেন এত ষড়যন্ত্র মাফিয়াচক্রের? ফ্যাসিবাদ পালিয়ে গেছে আজকে তার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চায় অনেকে। এই চক্রটি  ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। চট্টগ্রাম বন্দরে লুটপাট করার জন্যই তারা এই এনসিটি টার্মিনালকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। 

শুক্রবার (৯ মে) পোর্ট কলোনীর ১২ নম্বর রোড়ে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে সংযুক্ত ২৫ হাজারের অধিক শ্রমিক কর্মচারী কর্মরত আছে। তাদের সাথে পরিবার পরিজন নিয়ে কয়েক লক্ষ মানুষের রুটি রুজির স্থান এটি। সবাই যদি নিজেদের অধিকারের জন্য পরিবার পরিজন নিয়ে রাজপথে নেমে আসে স্বৈরাচারিনী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মত পালানোর পথ খুঁজে পাবে না বর্তমান চাটুকার প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

তিনি আরো বলেন, কলোনিতে শ্রমিকদের যে সমস্যা তা প্রশাসন বন্দর কর্তৃপক্ষ একদিনের নির্দেশে সমাধান করতে পারেন। সভায় সকলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবিলম্বে বন্দর প্রতিনিধি অর্থাৎ সিবিএ নির্বাচনের দাবি জানান। 

এতে বক্তা ছিলেন, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেন। তিনি তার বক্তব্য বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের অতীতের অনেক ইতিহাস রয়েছে শ্রমিকের দাবি আদায়ের। শ্রমিকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের দাবির প্রতি ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগ্রামের মাধ্যমে দাবি আদায় করে নিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সমর্থন ও সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। তাই প্রশাসনের প্রতি উদার্ত আহবান শ্রমিকের অধিকার নিয়ে সংগ্রাম গড়ে তুললে আপনাদের পরিণতি অনেক খারাপের দিকে যেতে পারে। সেদিকে না গিয়ে শ্রমিকদের ন্যায়সংগত দাবি মেনে নিন।

এতে বিশেষ বক্তা চট্টগ্রাম বন্দর সংযুক্ত শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখরুল্লাহ বাহার বলেন, শ্রমিকরা নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত কিন্তু উপদেষ্টারা যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয় তার দায়ভার বর্তমান উপদেষ্টামন্ডলী ও প্রশাসন, বন্দর কতৃর্পক্ষ সবকিছুর জন্য দায়ভার বতার্বে। বন্দর অচলসহ সর্বাত্মক কর্মসূচি পালন করার জন্য প্রস্তুত আছে শ্রমিকরা। 

তিনি আরও বলেন, আগামী ১৩ মে শ্রমিক কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর উপদেষ্টাদের নিয়ে বৈঠকের আশ্বাস দিয়েছেন। তারপর ১৪ মে প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে আসছেন। এরপরেও শ্রমিকদের দাবি, দেশবাসীর দাবি না মানলে ১৫ মে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বন্দর বন্ধসহ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তার জন্য শ্রমিক কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধ আছে।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন, বন্দর শ্রমিক দলের শ্রমিক নেতা ইব্রাহিম খোকন, স্টাফ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, স্টাফ হাউজ গেইং আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, লাইসেন্স গেইং এর সভাপতি ইকবাল হোসেন, বন্দর শ্রমিক দলের সুমন, মোঃ হুমায়ুন, সামসু মিয়া টুকু, ডক শ্রমিক দলের নেতা আবুল কাশেম, মোহাম্মদ ফারুক, ওয়ার্চম্যানের কামরুল হাসানসহ অন্যান্য শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

এম 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।