নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে স্থানীয় এক তরুণী।
শনিবার দুপুর ১টার সময় গুলিয়াখালী সৈকত এলাকায় ঘুরতে গিয়ে গণ ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী।পরে স্থা্নীয়রা তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশকে খবর দেয়। বিকাল ৩টায় থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করে।
জানা যায়, সীতাকুণ্ড গার্লস কলেজের এক শিক্ষার্থী শনিবার দুপুরে রাকিব (২৫) নামে তার এক প্রেমিকের সঙ্গে গুলিয়াখালী সী-বিচ এলাকায়
ঘুরতে যায়। বীচ এলাকার বেড়িবাঁধ পার হয়ে
(দিদারের প্রজেক্ট) পশ্চিমে বাগানের ভেতরে সাগর
পাড়ে যাওয়ার সময় চার জন যুবক তাকে জিম্মি করে উপকূলীয় বনের বাগানের ভেতরে নিয়ে যায়। এসময় শিক্ষার্থীর প্রেমিক রাকিবকে মারধর করে তারা।পরে পালাক্রমে চারজন ধর্ষণ করে তরুণীকে।স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করলেও ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়।
গণধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থী মুঠোফোনে বলেন,আমরা 'দুইজন ঘুরতে এসেছি গুলিয়াখালী সী-বিচে।সাগর পাড়ে নামার সময় আমাকে জিম্মি করে ধরে নিয়ে পাশের একটি জঙ্গলে (বন) নিয়ে যায়। পরে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে আমাকে। অনেক আকুতি-মিনতি করেও নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি।
তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ধর্ষণে জড়িতরা হলেন, জিয়ানি হোটেলের কারিগর রিপন (৩০), গুলিয়াখালী এলাকার ভূঁইয়া সওদাগরের ছেলে পারভেজ (২৬), শাহাজাহনের ছেলে হাসান (২৮)। এ ঘটনার পরপর স্থানীয় যুবক রাকিব তাকে উদ্ধারে সহযোগীতা করে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মুন্না বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে মেয়েকে উদ্ধার করি।
মেয়েটি খুবই ভয়ের মধ্যে ছিলো। গণ ধর্ষণেরশিকার হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
এই বাসিন্দা আরও বলেন, সী-বিচে পযাপ্ত কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন সময় নানা
অনৈতিক কাজ বীচে আসা পর্যটকরা নানাভাবে
বখাটে ও সন্ত্রাসীদের হাতে হয়রাণীর শিকার হতে
হচ্ছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়েছে। বিস্তারিত জানার পর জানাবো।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।