অসলোতে অনুষ্ঠিত নেশনস লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ডেনমার্ককে ৩-২ গোলে হারিয়েছে নরওয়ে। ম্যাচে জোড়া গোল করেন হালান্ড।
নরওয়ের হয়ে সবশেষ ১৬টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে ১৫টিতেই গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার। এ সময়ে তার গোলসংখ্যা ২৯। কেবল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের ম্যাচে গোল পাননি তিনি।
সবশেষ ১০টি প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে আটটিতেই একাধিক গোল করেছেন হালান্ড। নরওয়ের হয়ে ৫৬ ম্যাচে তার গোল এখন ৬৪টি। পাশাপাশি করেছেন সাতটি অ্যাসিস্ট।
ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচে অবশ্য শুরুটা করেছিলেন নরওয়ের অস্কার বব। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের পাস থেকে বল পেয়ে দূরের কোণে দারুণ শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
এর চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হালান্ড। বক্সের ভেতর দুর্দান্ত দক্ষতায় ঢুকে আন্তোনিও নুসা বল বাড়িয়ে দেন তার দিকে। প্রথম টাচেই ডেনমার্কের গোলরক্ষক ফিলিপ ইয়র্গেনসেনকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান হালান্ড।
তবে ম্যাচে ফিরে আসে ডেনমার্ক। ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে ব্যবধান কমান মিকেল ডামসগার্ড। পরে হেড করে সমতা ফেরান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক স্ট্রাইকার রাসমুস হয়লুন্ড।
ম্যাচ যখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পরিণত হয়, তখন আবারও জ্বলে ওঠেন হালান্ড। ৭৪ মিনিটে একটি সুপরিকল্পিত কর্নার থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে শক্তিশালী শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। তাতে আবারও এগিয়ে যায় নরওয়ে।
শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ডেনমার্ক। হালান্ডের জোড়া গোলে ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।
এই ম্যাচের জয়সূচক গোলসহ নরওয়ের হয়ে মাত্র ৫৬ ম্যাচে হালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪। তার গোল করার ধারাবাহিকতা আন্তর্জাতিক ফুটবলেও তাকে আলাদা করে তুলেছে।
নেশনস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন হালান্ড। তার গোলসংখ্যা এখন ২১টি। এই তালিকায় সার্বিয়ার আলেক্সান্দার মিত্রোভিচ ও পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোল ১৫টি করে।
ম্যানচেস্টার সিটি কিংবা নরওয়ের জার্সি—দুই জায়গাতেই গোলের ধারায় আছেন হালান্ড। প্রতিপক্ষের জন্য তার গোলের এই ধারাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।