দক্ষিণ পূর্ব

যাত্রী চাহিদা বাড়লেও দোহাজারীতে থামে না সব ট্রেন

দক্ষিণপূর্ব
দক্ষিণপূর্ব
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:২৪ সকাল
পঠিত : ৪১
যাত্রী চাহিদা বাড়লেও দোহাজারীতে থামে না সব ট্রেন

ছবি

Degchibarictg

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ চালুর পর যাত্রীদের প্রত্যাশা ছিল, এ অঞ্চলের মানুষ সহজেই রেলসেবা পাবেন। কিন্তু সব ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় সেই প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ হচ্ছে না। বিশেষ করে দোহাজারী রেলস্টেশনে সব আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও আশপাশের এলাকার যাত্রীরা। এ অবস্থায় দোহাজারী স্টেশনে চলাচলকারী সব ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কপথে বাসভাড়া বৃদ্ধি ও যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে রেলপথ এখন তুলনামূলক সাশ্রয়ী যোগাযোগমাধ্যম। অথচ সব ট্রেনের সুবিধা না পাওয়ায় অনেক যাত্রীকে পছন্দের গন্তব্যে যেতে অন্য স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে মহানগর, কক্সবাজার, সৈকত, পর্যটক ও প্রবাল এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন ট্রেন চলাচল করছে। এর মধ্যে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস দোহাজারীসহ চকরিয়া, সাতকানিয়া ও পটিয়া স্টেশনে থামে। তবে মহানগর, কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলো এসব মধ্যবর্তী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয় না। ফলে রেলপথের পাশের জনপদ হওয়া সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক যাত্রী।

এ দাবি নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে দোহাজারী স্টেশনে সব ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ২০২৩ সালের ৮ নভেম্বর দোহাজারী পৌরসভার সাবেক মেয়র লোকমান হাকিম এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদনও করেন। কিন্তু এখনো দাবির বাস্তবায়ন হয়নি।

দোহাজারী রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশনমাস্টার ইকবাল হোসেন জানান, পটিয়া, দোহাজারী, সাতকানিয়া ও চকরিয়ার যাত্রীরা বিভিন্ন সময়ে ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য আবেদন করেছেন। প্রতি ৫০ কিলোমিটার দূরত্ব বিবেচনায় যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হলে দোহাজারী ও চকরিয়া স্টেশনে আরও ট্রেন থামানোর সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যাত্রীসংখ্যার দিক থেকে সাতকানিয়া স্টেশনেও ভালো চাহিদা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় স্বল্প দূরত্বের একাধিক স্টেশনে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হতে পারে। ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি ও সময়সূচি ঠিক রেখে চলাচল নিশ্চিত করা গেলে সব স্টেশনেই যাত্রীসংখ্যা বাড়বে। বর্তমানে এ রেলপথে ১০টি ট্রেন চলাচল করছে।

আরএইচ 

মন্তব্য (০)

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না।
সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।