আধুনিক সংগীতের ব্যাপক প্রসারের মধ্যেও শুদ্ধ সংগীতচর্চার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সঙ্গীত ভবন। দীর্ঘ ছয় দশক ধরে সংগীতশিক্ষার প্রসার, সাংস্কৃতিক বিকাশ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠানটির অবদান প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সঙ্গীত ভবনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘হীরক জয়ন্তী উৎসব-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আধুনিক সংগীতের এই সময়ে গিটারনির্ভর ও আধুনিক গানের চর্চা ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। এর মধ্যেও সঙ্গীত ভবন শুদ্ধ সংগীতচর্চার ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ ছয় দশক ধরে প্রতিষ্ঠানটি সংগীতের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও শুদ্ধ সংগীতচর্চার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সমৃদ্ধ করতে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
তিনি আরও বলেন, সংগীত ও সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংগীতের প্রতি অনুরাগ সৃষ্টি, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং দেশীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণে সঙ্গীত ভবনের মতো প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত সঙ্গীত ভবনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৬ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী ‘হীরক জয়ন্তী উৎসব-২০২৬’-এর আয়োজন করা হয়েছে। ‘ঐতিহ্যের মীড় বেয়ে পথ চলার ৬০ বছর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ পথচলা, অর্জন ও সাংস্কৃতিক অবদান উদ্যাপন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে চসিক প্রশাসক উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সঙ্গীত ভবন শুদ্ধ সংগীতচর্চার প্রসার এবং চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদব্যক্ত করেন।
আরএইচ
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।